
|
|
|
বিষয় বিন্দু | বৌদ্ধিক সম্পত্তির অধিকার বা ইন্টেলেকচ্যুয়াল প্রপার্টি রাইটস্ (IPRs) |

|
বৌদ্ধিক সম্পত্তির অধিকার বা ইন্টেলেকচ্যুয়াল প্রপার্টি রাইটস্ (IPRs)
আজকের জ্ঞান-ভিত্তিক অর্থনীতি ও সমাজে বিশেষ করে অর্থনৈতিক বিশ্বায়নের সন্দর্ভে আই.পি.আর. হয়ে পড়েছে একটা অত্যন্ত জরুরী হাতিয়ার৷ যারা বিশ্বস্তরের বাজারে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামতে চাইবে, তাদের সফলতা নির্ভর করবে বিজ্ঞান ও কারিগরি ক্ষেত্রে তারা কতো নতুন নতুন অবধারণার সৃষ্টি করতে পারছে তার উপর, কারণ এইসব আবিষ্কারের থেকেই কোনো দেশের ধন সম্পত্তি বর্ধক নানান উত্পাদিত বস্তু তৈরী হয়৷ আই.পি.আর.-এর মাধ্যমে কিছু সীমিত সময়ের জন্য তার স্রষ্টাকে স্বতন্ত্র একচেটিয়া অধিকার দেওয়া হয় যাতে আর্থিক দিক থেকে লাভদায়ক নতুন নতুন আবিষ্কারের প্রতি একটা সদর্থক মনোভাব জাগে৷ যে কোনো কার্যকর আই.পি.আর. পদ্ধতি বিশ্বাসযোগ্য ও আইন-নির্ভর পরিবেশের অঙ্গবিশেষ যার ওপর ভিত্তি করে বিদেশী পুঁজির লগ্নী এবং কারিগরি কৌশল হস্তান্তরণের বেলায় সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়৷
এই ক্ষেত্রের কিছু মুখ্য গঠনগত বিচার্য বিষয় হলো এইরকম:
- আইনে স্থান পেয়েছে এমন চুক্তির অধিকার ও বাধ্যবাধকতা প্রভৃতির বিষয়ে স্পষ্ট সংজ্ঞায়ন;
- আইনের প্রতি সন্মান;
- প্রয়োগের ক্ষেত্রে কার্যকর হবে এমন আইনী ব্যবস্থা গড়ে তোলা;
- আই.পি.আর. তথ্য সংক্রান্ত নিখুঁত এবং বিস্তারিত ও হালফিল খবর; বিভিন্ন ক্ষেত্রে কার্যরত আই.পি.আর. বিষয়ক বিশেষজ্ঞদের জন্য প্রশিক্ষণ;
- আধুনিক পরিকাঠামোর সৃষ্টি ও এবিষয়ে প্রগতি বিশেষ করে বিভিন্ন আই.পি.আর. অফিসের জন্য প্রয়োজনীয় মানব সংসাধন জোটানো;
- বিভিন্ন আই.পি.আর. অফিসের মধ্যে একটা সংগতি স্থাপন এবং শাসনগত প্রক্রিয়ার পদ্ধতিগত উন্নয়ন এবং সম্ভবতঃ সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হলো --
- জ্ঞানের সৃষ্টি, প্রয়োগ এবং প্রচারের ক্ষেত্রে একটা ব্যাপক ও প্রভাবী আই.পি.আর. এর সংস্কৃতিকে গড়ে তোলা -- যার সব কটির সঙ্গে বাজারের চাহিদা ও পুরস্কারের একটা সম্বন্ধ রয়েছে৷
|
|
|